[কিশোরচিত্র প্রতিবেদক] উন্নত দেশের ছেলেমেয়েরা যেমন অর্থ ও অর্থনীতি সম্পর্কে সচেতন তেমনটি নয় ভারতবর্ষ বা বাংলাদেশের। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে অর্থনীতি পড়ানো হয় তবে সেটা বিভিন্ন সংজ্ঞা মাত্র প্রকৃত অর্থে--অর্থ বা টাকা কিভাবে অর্জন, ব্যবহার বা ব্যয় করতে হয় সে সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক কোনো শিক্ষা বা নির্দেশনা নেই। নেই পরিবারেও। যে কারণে শিশুকাল থেকেই বাঙালি টাকাপয়সার ব্যাপারে থাকে একেবারে উদাসীন। কোনোদিন তারা ভুলেও পিতামাতাকে জিজ্ঞেস করে না, কিভাবে পিতা অর্থ রোজগার করছে? কোথা থেকে কিভাবে সংসারে টাকা আসছে, মালামাল আনছে, খাদ্য আসছে সে সম্পর্কে কোনো কৌতূহল শিশুদের নেই। যার ফলে বাঙালি শিশুরা টাকার অর্থ ও মূল্য সম্পর্কে অজ্ঞ। যে কারণে ধনী লোকের সন্তানরা টাকার জন্য সহজেই বিপদগামী হয়ে থাকে। যদি শিশুকাল থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থকড়ি তথা টাকার সুষ্ঠু ব্যবহার বিষয়ে বাস্তবজ্ঞান দেয়া হত তাহলে সমাজে দুর্নীতি ও টাকার অপব্যবহার হত অনেক কম। 

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শিক্ষা কার্যক্রমে অর্থ বিষয়ক বাস্তবজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষা-দীক্ষা প্রচলিত আছে বহু বছর ধরে। ক্রমাগত শিক্ষানীতিতে অর্থশিক্ষাদান বিষয়ে সংস্কারও সাধিত হচ্ছে চলমান বিশ্বের সার্বিক পরিস্থিতি চিন্তা করে। যেমন সম্প্রতি বৃটেন আরেক দফা তার ধারাবাহিক শিক্ষা সংস্কার ঘটিয়েছে এবং তাতে করে ব্রিটেনের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলো ২০১১ সালের শুরু থেকেই ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আমানত ও অর্থ পরিচালনা সংক্রান্ত আবশ্যক পাঠ চালু করেছে। জাপানে অবশ্য অনেক আগে থেকেই এই বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। ওই দেশে মাধ্যমিক থেকে বিশ্ববিদ্যায়ল পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাধ্যতামূলক র্আবেইট বা স্বল্পকালীন চাকরি করতে হয়। ছেলেমেয়েরা নিজেদের হাতখরচ তারা পার্টটাইম কাজ করেই নির্বাহ করে থাকে। ফলে তারা বুঝতে সক্ষম হয়, অর্থ উপার্জন করা কত পরিশ্রম ও কষ্টসাপেক্ষ কাজ! তাই অর্থের ওপর তাদের ক্রমশ মালিকানাসংক্রান্ত অধিকার জন্মাতে শুরু করে এবং এর গুরুত্ব বুঝতে পারে। যে কারণে তারা পিতা-মাতার ওপর সহজে অর্থের জন্য চাপ সৃষ্টি করে না বরং মিতব্যয়ী হতে শেখে। শিশুকাল থেকেই তারা মায়ের সহযোগিতায় খাতায় লিখে আয়-ব্যয়ের হিসেব করে। এভাবে তাদের মধ্যে টাকা জামানোর অভ্যেস গড়ে ওঠে। যে কারণে জাপানের পোস্টাল সেভিংস বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃত।

বস্তুত বিশ্বায়ন তথা বিশ্বঅর্থনীতি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে রক্ষণশীল কমিউনিস্ট দেশ চীনের অভিভাবকরাও শিশু-কিশোরদেরকে অর্থ সংক্রান্ত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন। এই বিষয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশে কেমন করে শিশু-কিশোর প্রজন্মকে অর্থ পরিচালনা সংক্রান্ত শিক্ষা প্রদান করা হয় সে সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের সংবাদদাতারা তাদের পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন যা থেকে শিক্ষনীয় ধারণা লাভ করা যায়। প্রতিবেদনটি কিশোরচিত্রর পাঠক-পাঠিকাদের উদ্দেশে তুলে ধরা হল: 

ব্রিটেনে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের সংবাদদাতা জানান, ব্রিটিশদের অর্থ পরিচালনা সংক্রান্ত শিক্ষা নীতি হল ভেবেচিন্তে এবং ভালো করে হিসাব-নিকাশ করে ব্যয় করা। তারা তাদের এ ধারণাকে নিজেদের ছেলেমেয়েদেরকেও বুঝিয়ে দিয়ে থাকেন। ব্রিটেনে শিশু-কিশোরদের অর্থ আমানত রাখার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। অধিকাংশ ব্যাংক ১৬ বছর বয়সের শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ আকাউন্ট খুলে দিতে সহায়তা করে থাকে। ব্রিটেনে প্রায় ৩ ভাগের ১ ভাগ শিশু-কিশোর তাদের প্রাপ্ত ব্যক্তিগত পকেট খরচ এবং শ্রমের বিনিময়ে উপার্জিত অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত রাখে।

এ প্রসঙ্গে ব্রিটেনের শিশু কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী বাউলস বলেছেন, ব্রিটিশ সরকারের সাম্প্রতিক এক শিক্ষা সংস্কার পরিকল্পনা অনুসারে শিশুদের ৫ বছর বয়স থেকে অর্থ পরিচালনা সংক্রান্ত শিক্ষা দিতে হবে। তাদেরকে বুঝতে হবে ধাতব মুদ্রা ও কাগজী মুদ্রার পার্থক্য এবং মুদ্রার বিভিন্ন উৎস কী? ৭ থেকে ১১ বছর বয়সের ছাত্রদের নিজেদের উদ্যোগে নিজেদের অর্থ পরিচালনা করতে হবে।

ইসরাইলের ইহুদীরা শিশু-কিশোরদেরকে খুব ভালোভাবে অর্থ সংক্রান্ত শিক্ষা দিতে জানেন। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার ইহুদীরা এ ক্ষেত্রে আরও পারদর্শী। ইসরাইলে শিশু-কিশোরদের জন্য তাদের বয়স অনুযায়ী কোনো বিশেষ পাঠ চালু নেই। তবে প্রত্যেক ইহুদীর সম্পদ অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। তারা সবাই জানেন, সবসময় নিজেদের সম্পদ রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি অন্যদের সম্পদের ওপরও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। সবাই ভালো করে বোঝেন যে, অন্যদের কোনো ক্ষতি করলে পরিশোধ করতে হবে এবং অন্যদের সম্পদ দখল করলে মূল্য দিতে হবে। ইহুদীরা অর্থ ও ব্যক্তিগত সম্পদের বিশেষ যতœ নিয়ে থাকেন। তারা মিতব্যয়ের পক্ষপাতী। তাদের ধারণায় নিজেদের জীবনযাত্রার মৌলিক চাহিদা মেটানো গেলেই যথেষ্ট। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় করা তাদের পছন্দ নয়। সুতরাং তারা বিলাসবহুল গাড়ি ও অদ্ভূত পোশাক-আশাকের প্রত্যাশী নয়। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ইহুদীরা এই প্রবণতার ওপর বিশেষ নজর রাখেন। তারা নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট পরিমাণে নিজেদের ছেলেমেয়েদেরকে হাত খচর দিয়ে থাকেন, যাতে তারা মিতব্যয়ী হতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সকল নাগরিকের জানা আছে, কয়েক বছর আগে ধনী বাবা ও গরীব বাবা নামক একটি বই দেশ-বিদেশে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এ বইয়ের মধ্যে শিশু-কিশোরদেরকে অর্থ পরিচালনা সংক্রান্ত শিক্ষাপাঠ ছিল। ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এ বইটি লেখার লক্ষ্য ছিল কৈশোরকাল থেকেই শিশুদের অর্থ পরিচালনার দক্ষতা বাড়ানো। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে এ রকম বই হরদম প্রকাশিত হয়ে থাকে। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায় যে, মার্কিন নাগরিক শিশু-কিশোরদের অর্থ পরিচালনা সংক্রান্ত শিক্ষার ওপর কতখানি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমেরিকা সরকারও এই শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় সারা দেশের ৩৪টি অঙ্গরাজ্যের ৩ হাজার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা একটি ব্যাপক আমানত পরিকল্পনায় সামিল হয়েছেন। এ পরিকল্পনার নাম যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আমানত করুন। মার্কিনী শিশু-কিশোরদের জন্য অর্থবিষয়ক শিক্ষা প্রধানত পরিবার ও স্কুলেই পরিচালনা করা হয়। শিশুরা কিন্টারগার্ডেনে প্রবেশের সংগে সংগে তাদেরকে অর্থ সংক্রান্ত শিক্ষা দেয়া হতে থাকে। তখন থেকেই শিশুরা বুঝতে শুরু করে অর্থ কি? মানুষের জীবনে অর্থ পরিচালনা কত গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার পাশাপাশি ঘরের বাইরে শ্রম করতে উৎসাহিত করা হয়।

[বাংলাদেশেও সরকার এবং ব্যবসায়ীদের এগিয়ে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পার্ট চাইম চাকরির ব্যবস্থা করা জরুরি। বর্তমানে ব্যাপক বৈশ্বিক পরিবর্তনের কারণে এই দেশের শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের চাহিদা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেই চাহিদা পূরণে যেমন অর্থের প্রয়োজন তেমনি শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্যও তাদেরকে অর্থ আয়ের অবাধ সুযোগের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয়তা সময়েরই চাহিদা মাত্র। এটা করা গেলে সমাজে যেভাবে রাজনৈতিক কারণে এক শ্রেণীর তরুণপ্রজন্ম অর্থের জন্য ব্যবহৃত হয়ে ক্রমশ বিপদগামী, সন্ত্রাসী হচ্ছে এবং সমাজে সন্ত্রাস ছড়িয়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘিœত করছে তা হ্রাস পেতে থাকবে।--সম্পাদক]


Powerd by Manchitro Publishers, 2011 Copyright c All Rights Reserved.


Flea Market বাক্যবন্ধটি এসেছে ফ্লি নামক একটি পোকা থেকে। ফ্লি মার্কেট মূলত পরিত্যক্ত ও পুরনো পণ্যসামগ্রীএকেবারে পানির মতো সস্তা দামে বিক্রি করাকে বোঝায়। আবার অনেক সময় বিক্রির চেয়ে পণ্যবিনিয়মও হয়ে  থাকে এই বাজারে। একে Swap meetও বলা হয়ে থাকে। মনে করা হয় ১৭ শতাব্দীর দিকে এই বাজার ফ্রান্সে চালু হয়েছিল। তারপর ইউরোপ ছাড়িয়ে আমেরিকা মহাদেশে  বিস্তারলাভ করে।

সত্তর দশকের দিকে এশিয়ার জাপানে প্রচলন ঘটে। সেই থেকে জাপানের প্রায় সর্বত্র সারাবছরই এই ফ্লি মার্কেট বসে অন্দরমহল ও বহির্মহলে। গত সপ্তাহে টোকিওসহ একাধিক স্থানে কয়েকটি ফ্লিমার্কেট বসেছিল।

এই বাজার সাধারণত আবহওয়া যখন খারাপ থাকে তখন কোন ভবনের অভ্যন্তরেআর ভালো থাকলে মাঠে, উদ্যানে বা খালি জায়গায় বসতে দেখা যায়। অনেক সময় বড় বড় উদ্যানেও এই বাজার বসে তখন সারাদিনই লোকেলোকারণ্য হয়ে যায়। যেমন টোকিওর ইয়োয়োগি, উয়েনো উদ্যান অন্যতম। দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা হাজির হয় দারুণ  উৎসাহ ও আগ্রহ নিয়ে। একমাত্র খাবার-দাবার বাদ দিয়ে এমন কোন জিনিস নেই যা দোকানীরা নিয়ে বসেন না! এই বাজারের প্রধান বৈশিষ্ট্য, বয়স্কদের চেয়ে শিশু-কিশোর এবং তরুণদেরই বেশি ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকা গ্রহণ। অবশ্য বাজারের আশেপাশে খাবারের স্টলও নিয়ে বসে যায় এক শ্রেণীর ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী। অর্থাৎ বাজার তো নয় রীতিমতো এক উৎসব যাকে বলে।

পুরনো জিনিস যা অ্যান্টিক হিসেবে ঘরে সাজিয়ে রাখার জন্য একদল মানুষ সর্বত্রই পছন্দসই পণ্যসামগ্রী খুঁজে বেড়ান তাদের জন্য এই বাজার আনন্দের্  স্বর্গবলা যায়। সস্তা এবং ব্যবহারযোগ্য পাওয়া গেলে দরদাম না করেই পছন্দসই জিনিসটি হস্তগতকরে নেন দ্রুত। যদিওবা প্রতিটি জিনিসেরই দাম নির্দিষ্ট করা থাকে তথাপি দরাদরিও চলে।

অনেকেই মনে করেন পুরনো জিনিস বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেয়া বা রিসাইকেলের জন্য বিনামূল্যে বিতরণ করার চেয়ে দুপয়সা উপার্জন করতে পারলে মন্দ নয় এই মনোভাব নিয়েই সবাই দোকান দিয়ে বসেন। এবং দেদার বিক্রিও হয় বটে ফ্লি মার্কেটে--তবে লাভ যদিও সামান্যই কিন্তু এটা যে একটি বৈচিত্র্যময় সমাবেশ এবং তাতে অংশগ্রহণ করাটাই যে একটি মানসিক তৃপ্তি এ সম্পর্কে তারা যথেষ্ট সচেতন।

ছেলেদের যেমন খেলনা গাড়ি, খেলনা রোবট, কম্পিউটার গেমসের সফট, ক্যামেরা, পকেমোন ক্যারেক্টার পুতুল, অ্যানিমেশন ভিডিও, মানগা/কমিক্স বই ও ম্যাগাজিন তেমনি মেয়েদের লক্ষ্য থাকে ফ্যাশনাবল পুরনো পোশাক, জুতো, হ্যান্ডব্যাগ, ধাতব অলঙ্কার, হ্যালো কিটিচানসহ নানা ধরনের কিউট ক্যারেক্টার ডল ইত্যাদির প্রতি। আর বয়স্কদের চোখ থাকে পুরনো পোশাক এবং গ্রন্থের দিকে।

‘পরিত্যক্ত, পুরনো মালামাল বর্জ্য করার চেয়ে বিক্রি করে দুটি পয়সা পাওয়া গেলে সেটাই ভালো, এটাও একটি ছোটখাটো ব্যবসা, মন্দ কী’ বললেন জনৈক তরুণ । তিনি একটি পুরনো টিভি কিনে নিলেন মাত্র ১,০০০ ইয়েনে! অথচ বছর পাঁচেক আগেও যার মূল্য ছিল ৫০,০০০ ইয়েন!

সাধারণত ফ্লিমার্কেট সাপ্তাহিক ছুটির দিন রবিবার ছাড়াও শনিবার এবং বিশেষ ছুটির দিনেও বসে। উদ্যোক্তরা আগেভাগেই স্থানীয় পত্রপত্রিকা বা প্রচারপত্রের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় দিনক্ষণ, তারিখ আর স্থানের কথা। ইন্টারনেটেও কবে কোথায় কখন ফ্লি মার্কেট বসবে তার তথ্যাদি। সবচেয়ে বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে শিশু-কিশোররা। কারণ এটা যেমন তাদের কাছে এক মহাআনন্দ তেমনি অর্থ ও ব্যবসা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভ করার একটি সুযোগও বলা যায়।

তবে বলাই বাহুল্য যে, পণ্যসামগ্রী উপচে পড়া সমাজেই এই বাজার গড়ে ওঠা সম্ভব। উন্নয়নকামী দেশগুলোতে এর সম্ভাবনা কম।



Powerd by Manchitro Publishers, 2010 Copyright c All Rights Reserved.
home
Editor : Probir Bikash Sarker
probirsrkr06@gmail.com